“তোমাকে যেমন দেখেছিলেম “

তোমাকে যেমন দেখেছিলেম ভোরবেলায় চাঁপাতলায় চাঁপা ফুলের তখন সদ্য ঘুম ভেঙেছে ।ভোরের আলো এসেপড়েছিলতোমার চাঁপাকলির মতমুখটাতে, এক সহজ সরল হাসিতোমার ঠোঁটের কোণেফুটে উঠেছিল ,সেই হাসি সুন্দর চাঁপা ফুলের মত মনের ভেতর থেকেযেভাবে একটাসুন্দর কবিতার জন্ম হয়সেরকম ।চারপাশ টা চাঁপাফুলের গন্ধেমঁ মঁ করছিলসেই নীরবতা আরও গভীর হয়েছিল তোমার চাহনিতে,সেই নির্বাক চাহনি মুহূর্তেএকটা প্রশ্ন করেছিলআমার মনকেতোমাকে যেমন দেখেছিলেম। ।-জয়দীপ রায়চৌধুরী।ফোন ও হোয়াটস অ্যাপ:9831870238.

Read More

মা -ঈশ্বর

কলমে:- সোমা রায় সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলে নিরাজ চিরকাল চুপচাপ, অমায়িক ও মা বাবার বাধ্য সন্তান। আর এর থেকেই অতি অল্প বয়সে পরিবারের দায়ভার কাঁধে তুলে নেওয়া যদিও নিরাজের বড়ো ছিল। পরিবার ছিল তার কাছে মন্দির আর মা বাবা দেবতা। সময়ের সাথে সাথে নিরাজ সাতপাকে বাধা পড়লো বাড়লো সংসার। নিজের অক্লান্ত পরিশ্রমের সংসারে হাসি সবার মুখে।প্রচন্ড দায়িত্ববান নিরাজ আত্বিয় পরিজন বন্ধু বান্ধবের কাছে ছিল স্বস্নেহে। এমনি এক ঝড় জলের রাতে নিরাজ গিয়েছিল স্বশুর বাড়ি এদিকে ঝড় জল থামতেই চাইছে না। কপালে চিন্তার ভাঁজ, সে যে মাকে কথা দিয়েছে তাকে ফিরতেই হবে। মা অন্ত প্রাণ নিরাজ ক্ষনিকের জন্যে বিমর্ষ হয়ে পড়লো কি করবে কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলো না। এদিকে স্বশুর বাড়ির সবাই বারণ করছিলো। নিঝুম নিকশ কালো আঁধার রাতে দরজা খুলতেই মায়ের মুখে একরাশ স্নিগ্ধ হাসি ও ব্যতিবাস্ততা

Read More

বৃষ্টি

বৃষ্টিশর্মিলা পাল তপ্ত দুপুর পেরিয়ে বিকেল গড়ালো আকাশের এক কোনে একটা জমাট কালো মেঘ মনে হয় যেন হৃদয় উজাড় করা বৃষ্টি নামবেধুয়ে যাবে সব মিথ্যে প্রতিশ্রুতি, রাতভর বৃষ্টি লিখবে নতুন ভাগ্য লিপি বাড়ির বারান্দায় আশ্রয় নেওয়া পোষ্য ঝড়-ঝঞ্ছার রাত্রি শেষে পৃথিবীকে ভরিয়ে দেয়তৃতীয়ার হালকা আলো, দাওয়ায়, বাতিটা প্রায় নিভন্ত রাত পাহারায় ভেজা স্বপ্ন ভাঙ্গা মেঘের আড়ালে ডুবন্ত চাঁদ উঁকি দেয়।।শর্মিলা পাল হাবরা উত্তর ২৪ পরগনা…………………..লেখা পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করুন : 9830580279/9477507079

Read More

বিবর্তন

জয়দীপ রায়চৌধুরীঠিকানা:ডিএ-২,সেক্টর-১,সল্টলেক,কলকাতা-৭০০০৬৪.9831870238কত বিবর্তন ঘটে গেলএ বাড়ি,ও বাড়ি ঘুরেরাস্তার ধারে,পথে প্রান্তরে,রহিম মিস্ত্রীরছোট্ট বস্তির ঘরটাতে।সভ্যতার নগ্ন রূপআজ চাপা পড়ে সু সভ্যতার আলোকে।বাবা বলেছিলেন ,একদিন পরিবর্তন আসবে।সমাজের পরিবর্তন মানুষের চিন্তাধারার পরিবর্তন আজও কি তার সময় হয়েছে?একটা ঘুম ভাঙানি গান লিখোকবি,পরিবর্তনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের গান ।আমি শুনতে পাচ্ছিসেই গান ,আগামীদিনের মুক্তিকামীমানুষের অধিকারের গান ।বঞ্চিত,সন্ত্রস্ত,অসহায়মানুষের চোখের জলের ভাষায়রক্তের অক্ষরে লেখা গান ।কবি তুমি সামিল হওআমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে।আমি শুনতে পাচ্ছিঅদূরে সাইরেন বাজছেআরঅগুণিত মানুষের কান্না।কবি,আমি শুনতে পাচ্ছিএগিয়ে এসো কবিএগিয়ে এসোএকবার…..

Read More

ক্লান্তি তুমি

ক্লান্তি তুমি ড.কৃষ্ণকলি বেরা আঘাতে আঘাতে শতছিন্ন এই মনটা আজ একটু বিশ্রাম চায় কোনো এক নির্জন প্রান্তরে। যেখানে আমার চিরচেনা পৃথিবীটা কখনও অচেনা মানুষের শব্দবাণে কাঁপিয়ে তুলবে না অন্তরের মখমলি ভীত। হিংসার বাতাসে তছনছ করে তুলবেনা আমার সহনশীলতার শেষ গন্ডি। অহংকার আর ক্ষমতার লোভ ঘৃণ্য কীটের মত কিলবিল করবেনা আমার হৃদয়ের শান্তির বাতাবরণ। একটা নিশ্চিত ঘুম চাই মানসিক ক্লান্তির শেষে সাদা পায়রার শান্তির বার্তাবহ নীলাকাশের নীচে সবুজ নরম ঘাসের গালিচায়। ক্লান্তি তুমি এখন যাও, আমাকে ঘুমোতে দাও ঘুমোতে দাও।

Read More

জ্যান্ত দূর্গা মা আমার

জয়রামবাটির তুমি শিশু কন্যা,কামারপুকুরের বধূ বালিকা।রামচন্দ্র ও শ্যামাসুন্দরীর মেয়ে তুমি,রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব তোমার স্বামী। ছোট্ট বেলা থেকেই স্থির, ধীর শান্ত,কোনো কিছুতেই তুমি হওনি ক্লান্ত।সৎ অসৎ সব তোমারই স্নেহের সন্তান,অপার ভালোবাসা ছিল তোমার দান।শত শত সন্তানের তুমি জননী,মাগো তোমার কাছে আমরা ঋণী।এসেছ মানুষ বেশে এ ধরাতে,শিখিয়েছো নিজ ধর্ম পালন করতে।মা বলে ডাকলে আজও তুমি দাও সাড়া,তোমায় ছাড়া তোমার সন্তান দিশেহারা।”কথার কথা নই, পাতানো মা নই” এ যে তোমার বাণী,সন্তান তোমার আমরা শুনি বিপদে তোমার পদধ্বনি।তুমি মা সারদা, জগৎ জননী,তুমি যে জ্যান্ত দূর্গা, পদে পদে মানি।তুমি মা সারদা কল্যাণকারিণী,তোমায় আমরা অহর্নিশ নমি।

Read More

উত্তরে নয়না, দক্ষিনে আদর

সোমা রায় নয়নার জীবন ছিল তার সোহাগ তথা আদরকে ঘিরে। চনমনে ও চঞ্চল স্বভাবের নয়না একটা সময় যখন স্থব্ধ হয়ে যায় তার জীবনের স্রোত থেমে যায় তখনই সোহাগ আর আদর তাকে আগলে আগলে রেখে এগিয়ে নিয়ে যায়। আর এইথেকেই প্রগাঢ় বন্ধুত্ব। আর নয়না বন্ধুত্ব বইতে বইতে স্বপ্নের আকাশ ছুঁয়ে ফেললো আর সোহাগ কে বললো তুমি আমার সোহাগ আমার আদর যার জন্যে আমি ছুঁতে পারলাম আমার স্বপ্নের আকাশ। এই বন্ধুত্ব প্রগাঢ় হতে হতে এমন হল যে আদরকে ছাড়া নয়নার এক মুহূর্ত ও চলে না। “সকালে ঘুম থেকে উঠে দিনে পথ চলার শক্তি আদর, আবার রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আমার আগামীর দিশা সোহাগ। “কখনো সোহাগ, কখনো আদর এই দুই নামেই নয়না তাকে ডাকে। আর আদরও সাড়া দেয়। আদর এর অমায়িক স্বভাব ছিল আদরের কোনো চাহিদা ছিলনা, ছিল না কোনো পাওয়া। যদিও নয়না আদরকে বুঝে চলতো আর আদরের প্রতি বড্ড বেশি আবেগপ্রবন ছিল সে। আরও একবার নয়নার জীবনে নেমে এসেছিলো প্রচন্ড ঝড় জল। সেখান থেকেও আস্তে আস্তে বের করে আনলো তাকে তার সোহাগ। এভাবেই দিন কাটছিলো নয়নার। পরিবারের এক অনন্য বন্ধু ও নিত্য সঙ্গী তখন সোহাগ ওরফে আদর। হাসিখুশি দিন কাটছিলো ওদের। এদিকে নয়নাও সুনামের সাথে নিজের জগতে বিচরণ করছিল। হঠাৎই কেমন জানি এক ঘন মেঘ আকাশ ছেয়ে গেলো। সোহাগ কে অচেনা, অপরিচিত মনে হচ্ছিল নয়নার। ভেবে পাচ্ছিলো না এ কি তার সেই সোহাগ! সোহাগের ব্যবহার ছিল অত্যন্ত, সহজ সরল অমায়িক সবার সাথে। আজকাল সোহাগ নয়নাকে পছন্দ করে না, অনীহা আর অবহেলায় ভরিয়ে দিয়েছে।খুব কষ্ট হলেও নয়না ভাবলো ভালোই যখন বেসেছি তখন ওর ভালোবাসাকে দেই না মান্যতা। মেনে নেই সব। চাওয়া একটাই সোহাগ ভালো থাকুক। কারণ নয়নার জীবনের একটা বিরাট অংশ নিয়ে জুড়ে আছে সোহাগ। নয়না আজকাল সোহাগ কে দূর থেকে ভালোবাসে। নয়না বুঝতে পারে তার মতো সাধারণের ভালোবাসা কোনোদিনও মান্যতা পায় না। সোহাগ ভালো থাকুক যেভাবে সে চায়। তবে এ কথা শুধু কথার কথা নয়, নয়নার প্রকৃত ভালোবাসার ফসল।সে জানে সোহাগ ই তার হাত ধরে বিমর্ষতা থেকে উত্তরণ করে এগিয়ে দিয়েছে জীবন পথে। আজ নয়না যে জায়গায় আছে তাতে সোহাগের অবদানও অনাস্বীকার্য। সোহাগ তার ভালোবাসা, তার সব। তাই নয়নার ভালোবাসা হোক তা একপেশে ও নিঃশব্দে তবে তা খাঁটি।তাই ধীরে ধীরে নয়না তার অভিধান থেকে কথা কমালো, কমালো শব্দ আর এরপরই হল নিঃশব্দ।এভাবেও ভালোবাসা যায়। স্মৃতির মিউজায়ম এ নয়না রেখেছে তার আদরকে।আদর তুমি ভালো থেকো, সুস্থ থেকো, থেকো সুখে।  আজ যে দুজনার দু পথ।

Read More

“জীবন তরী”

জয়দীপ রায়চৌধুরী ______________________________________________________________________________________________________ জীবন  নদীর তরীখানিবয়ে বয়ে শুধু যায়দিশাখানি নাহি পায়।শুধুই চলা,শুধুই চলাযেতে যেতে কত দুঃখের কথা বলা,মনে মনে অকথিত বেদনা রয়ে যায়।কত স্মৃতি ভিড় করাকত সুখ দুঃখেতে ভরাতবু তরী চলিতে থাকেঅজানা কার ডাকে।তীরের দেখা নাহি মেলেশুধায় কেহ এ জীবনে কিবা পেলেতবু তরী বয়ে চলেজীবন নদী মনের কথা বলে।।-জয়দীপ রায়চৌধুরী।

Read More