Gopal Roy

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ কারাগারে যারা থাকবে

নিজস্ব প্রতিনিধি (২৪ ঘন্টা খাসখবর) : আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে নিরাপত্তা ও ভিড় ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জানা গেছে বহুল আলোচিত এই টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন কানসাস সিটিতে একটি অস্থায়ী আটক কেন্দ্র বা কারাগার নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে, যা ইতোমধ্যে পরিচিতি পেয়েছে ‘বিশ্বকাপ জেল’ নামে। ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিশ্বকাপ চলাকালে সম্ভাব্য বিপুল দর্শনার্থীর চাপ সামলাতে এবং শহরের আটক ও পুনর্বাসন ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা কাটাতে এই মডুলার কারাগার নির্মাণ করা হবে। স্থানীয় পর্যটন সংস্থা ভিজিট কেসির হিসাব অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট চলাকালে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার দর্শনার্থী কানসাস সিটি সফর করবেন। অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের মোট ছয়টি ম্যাচ আয়োজন করা হবে। এর মধ্যে গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনার একটি ম্যাচও রয়েছে। পাশাপাশি রাউন্ড অব ৩২ ও কোয়ার্টার ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচও এখানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের মতো দলগুলো কানসাস সিটিতে বেস ক্যাম্প করবে। স্থানীয় নীতিনির্ধারকদের মতে, বড় আকারের এই আন্তর্জাতিক আসরে ছোটখাটো অপরাধ, বিশৃঙ্খলা বা আইন লঙ্ঘনের ঘটনা সামাল দিতে অতিরিক্ত আটক সুবিধার প্রয়োজন হবে। তাই সাময়িকভাবে ১০০ আসনের একটি জেল তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়, যা ভবিষ্যতে স্থায়ী জেল নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল। শহরের সহকারী সিটি ম্যানেজার জেফ মার্টিন জানান, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই এটি চালু করার লক্ষ্য ছিল, তবে সময়সূচি অনুযায়ী কাজ এগোয়নি। অন্যদিকে কাউন্সিলম্যান ওয়েস রজার্স বলেন, বিশ্বকাপের সময় শহরে অতিরিক্ত ভিড়, মদ্যপান এবং ছোটখাটো বিশৃঙ্খলার সম্ভাবনা থাকে-এ কারণেই একটি অস্থায়ী আটক কেন্দ্র প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। তবে এই উদ্যোগ নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। অভিবাসনবিরোধী আন্দোলনকারীরা এবং স্থানীয় কিছু মহল আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা ইউএস ইমিগ্রেশন  অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-এর মাধ্যমে আটক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করতে পারে। সিটি কর্তৃপক্ষের দাবি, এই আটক কেন্দ্র মূলত ছোটখাটো অপরাধ ও পৌর আইন ভঙ্গের ঘটনাগুলো সামাল দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হবে, গুরুতর অপরাধের জন্য নয়। সমর্থকদের মতে, বিশ্বকাপের মতো বৃহৎ ইভেন্ট সফলভাবে আয়োজন করতে হলে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এমন প্রস্তুতি জরুরি।

Read More

মালয়েশিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ

২৪ ঘন্টা খাসখবর : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষতিকর কনটেন্ট থেকে শিশু-কিশোরদের সুরক্ষা দিতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে মালয়েশিয়া। দেশটি ১৬ বছরের কম বয়সিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেছে। সোমবার (১ জুন) থেকে নতুন এ নিয়ম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির যোগাযোগ ও মাল্টিমিডিয়া কমিশন (এমসিএমসি)। নতুন বিধান অনুযায়ী, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই করতে হবে। এজন্য সরকারি নথির সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে বয়স নিশ্চিত করতে হবে। নিয়ম অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলোর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১ কোটি মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত (প্রায় ২৫ লাখ মার্কিন ডলার) জরিমানা করা হতে পারে। এমসিএমসি জানিয়েছে, এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহার থেকে বিরত রাখা বা প্রযুক্তি ব্যবহারের অধিকার সীমিত করা নয়। বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ববোধ বাড়ানোই এর লক্ষ্য। FOR ADVERTISEMENT CONTACT – 9830580279

Read More

বিশ্বকাপের আগে মেক্সিকোতে শিক্ষকদের বিক্ষোভ, নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

২৪ ঘন্টা খাসখবর : ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। তবে ফুটবল উৎসবের প্রস্তুতির মধ্যেই আন্দোলন ও বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটি। শিক্ষকদের চলমান আন্দোলন বিশ্বকাপ আয়োজনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বুধবার (৩ জুন) বিক্ষোভকারী শিক্ষকরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে প্রবেশের চেষ্টা চালান। এ সময় তারা ল্যাম্পপোস্ট ব্যবহার করে সরকারি ভবনের দরজা ও স্থাপনায় হামলা করেন। এর একদিন আগে, কট্টরপন্থী শিক্ষক সংগঠন সিএনটিই-এর সদস্যরা বিশ্বকাপ উপলক্ষে স্থাপন করা কয়েকজন ফুটবলারের বিশাল প্লাস্টিকের মূর্তি ভেঙে ফেলেন। পরে মূর্তিগুলোর জার্সি খুলে আগুন ধরিয়ে দেন তারা। বিশ্বকাপের ঠিক আগে এমন ঘটনার কারণে আয়োজকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিদেশি দল, কর্মকর্তা ও সমর্থকদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তবে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শিনবাউম বলেছেন, সরকার কোনো ধরনের দমনমূলক পদক্ষেপ নেবে না। তিনি জানান, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান খোঁজা হবে। শিক্ষকদের দাবি, তাদের বেতন বৃদ্ধি ও পেনশন সংস্কার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কার্যকর আলোচনা করতে হবে। সরকার ৯ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব দিলেও আন্দোলনকারীরা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, বেতন ১০০ শতাংশ বাড়াতে হবে। দাবি পূরণ না হলে আগামী ১১ জুন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে বড় ধরনের বিক্ষোভের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সিএনটিই। …………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………….. FOR ADVERTISEMENT CONTACT – 9830580279

Read More

তৃণমূলে ভাঙন, তবু নেত্রী মমতাই

২৪ ঘন্টা খাসখবর : পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় সংকট ও বিদ্রোহের আবহে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে দলকে নতুনভাবে সাজাতে সর্বস্তরে আত্মসমালোচনা, কর্মদক্ষতার মূল্যায়ন এবং সাংগঠনিক পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে নেওয়া হলো, যখন দলের একাংশের বিধায়ক প্রকাশ্যেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। দলের একাংশের বিদ্রোহী বিধায়করা বিধানসভায় পৃথক অবস্থান নেওয়ার পথে এগোলেও দলনেত্রী হিসাবে এখনো মমতা ব্যানার্জির ওপরই আস্থা রাখছেন বলে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। বুধবার বিধানসভার স্পিকারের কাছে জমা পড়া ৫৮ জন বিধায়কের স্বাক্ষরিত চিঠিতে দলনেত্রী হিসাবে মমতার নামই উল্লেখ করা হয়েছে।   একই সঙ্গে ওই চিঠিতে ঋতব্রত ব্যানার্জিকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। উপদলনেতা হিসাবে কয়েকজন বিধায়কের নামও প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে তৃণমূলের ভেতরে যে সংঘাত এখন মূলত নেতৃত্বের দ্বিতীয় সারিকে ঘিরে, তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। ঘটনার সূত্রপাত হয় বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া ঘিরে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রবীণ নেতা শোভনদেব চ্যাটার্জিকে বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু পরে অভিযোগ ওঠে, সেই প্রস্তাবপত্রে একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই দলের অন্দরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। তদন্তে নামে পুলিশ ও অপরাধ তদন্ত বিভাগ। ইতোমধ্যে একাধিক বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেছেন তদন্তকারীরা। সেই ঘটনার পর থেকেই তৃণমূলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ প্রকাশ্যে চলে আসে। …………………………………………………………………………… FOR ADVERTISEMENT CONTACT – 9830580279

Read More

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড়ের তালিকার শীর্ষে স্কটল্যান্ডের ক্রেইগ গর্ডন, দ্বিতীয় স্থানে আছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

২৪ ঘন্টা খাসখবর : আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে ৪৮টি দল জুড়ে মোট ১২৪৮ জন খেলোয়াড়ের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে ফিফা। এই তালিকায় ৪০ বছরের বেশি বয়সী সাতজন খেলোয়াড় আছেন। এর মধ্যে স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক ক্রেইগ গর্ডন (৪৩) এবারের আসরের সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড়। তিনি বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া দ্বিতীয়-বয়স্ক খেলোয়াড়।তার আগে ছিলেন মিশরীয় গোলরক্ষক এসাম এল হাদারি, যিনি ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে ৪৫ বছর বয়সে খেলেছিলেন। এর পরেই আছেন পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ( ৪১) ২০২৬ সালে সবচেয়ে বয়স্ক হবেন। ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড়রা হলেন: ১)ক্রেগ গর্ডন (স্কটল্যান্ড) – ৪৩ বছর, ৫ মাস এবং ৩ দিন ২)ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো (পর্তুগাল) – ৪১ বছর, ৩ মাস এবং ২৯ দিন ৩)গিয়েরমো ওচোয়া (মেক্সিকো) – ৪০ বছর, ১০ মাস এবং ২১ দিন ৪)লুকা মড্রিচ (ক্রোয়েশিয়া) – ৪০ বছর, ৮ মাস এবং ২৫ দিন ৫)এডিন জেকো (বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা) – ৪০ বছর, ২ মাস এবং ১৭ দিন ৬)ম্যানুয়েল নয়ার (জার্মানি) – ৪০ বছর, ২ মাস এবং ৭ দিন ৭)ভোজিনহা (কেপ ভার্দে) – ৪০ বছর, ০ মাস এবং ০ দিন (৩ জুন, ২০২৬ তারিখ অনুযায়ী বয়স) …………………………………………………………………………………………………………………………………. FOR ADVERTISEMENT CONTACT – 9830580279

Read More

প্রতারণা ঠেকাতে হোয়াটসঅ্যাপের নিরাপত্তা সুবিধা

২৪ ঘন্টা খাসখবর : অনলাইনে প্রতারণার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। প্রতারকেরা কখনো সরকারি কর্মকর্তা, কখনো কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, আবার কখনো পরিচিত ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে মানুষের ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। ভুয়া ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি), জরুরি অর্থ পাঠানোর অনুরোধ কিংবা বিভ্রান্তিকর বার্তার মাধ্যমে তারা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলছে। ডিজিটাল প্রতারণার এ ঝুঁকি মোকাবিলায় নিজেদের নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। ব্যবহারকারীদের সুরক্ষায় একাধিক নতুন সুবিধাও যুক্ত করেছে বার্তা, ছবি, অডিও-ভিডিও বিনিময়ের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মটি। নিরাপত্তাসুবিধাগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। ১)সাইলেন্স আননোন কলার্স: স্প্যাম ও প্রতারণামূলক কল থেকে ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা দিতে ‘সাইলেন্স আননোন কলার্স’ সুবিধা চালু করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। সুবিধাটি চালু থাকলে অপরিচিত নম্বর থেকে আসা ফোনকল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাইলেন্স হয়ে যাবে। তবে কলগুলোর তথ্য কল তালিকা ও নোটিফিকেশনে দেখা যাবে, যাতে প্রয়োজন হলে পরে সেগুলো ব্যবহার করা যায়। ২)কনটেক্সট কার্ড: ‘কনটেক্সট কার্ড’ সুবিধার মাধ্যমে অচেনা নম্বর বা নতুন কোনো গ্রুপ থেকে বার্তা এলে ব্যবহারকারীরা অতিরিক্ত বেশ কিছু তথ্য জানতে পারবেন। আর তাই সহজেই বার্তার উৎসের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নেওয়া যাবে। ফলে বার্তার উত্তর দেওয়া, নম্বর ব্লক বা রিপোর্ট করার আগে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে। ৩)স্ক্রিন শেয়ার সতর্কবার্তা: ভিডিও কলে কথা বলার সময় অনেক প্রতারক ব্যবহারকারীদের স্ক্রিন শেয়ার করতে প্ররোচিত করে। এর মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য, আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য বা অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য তাদের হাতে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে স্ক্রিন শেয়ার করার সময় সতর্কবার্তা দেখাবে হোয়াটসঅ্যাপ। বিশেষ করে অচেনা কোনো ব্যক্তির সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে গেলে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে ব্যবহারকারীকে আগে থেকেই সতর্ক করবে সুবিধাটি। ৪) ডিভাইস লিংকিং সতর্কতা : একটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট একাধিক ডিভাইসে ব্যবহারের সুবিধাকে কেন্দ্র করেও প্রতারণার ঘটনা ঘটছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রতারকেরা ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করে তাঁদের অ্যাকাউন্ট নিজেদের ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করে। নতুন ‘ডিভাইস লিংকিং ওয়ার্নিং’ সুবিধা এ ধরনের সন্দেহজনক অনুরোধ শনাক্ত করে সতর্কবার্তা দেখাবে। পাশাপাশি অনুরোধটি কোথা থেকে এসেছে, সে সম্পর্কেও তথ্য জানাবে। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত ডিভাইস সংযোগ এড়িয়ে যাওয়া সহজ হবে। ৫) টু–স্টেপ ভেরিফিকেশন : অ্যাকাউন্ট সুরক্ষার কার্যকর উপায়গুলোর একটি হলো টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন। সুবিধাটি চালু থাকলে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে আবার নিবন্ধন বা যাচাইয়ের সময় ছয় অঙ্কের একটি পিন নম্বর দিতে হয়। ফলে অনুমতি ছাড়া অন্য কারও পক্ষে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

Read More

সাপ্তাহিক রাশিফল- ১৬জুন – ২২জুন২০২৬

লিখছেন বিশিষ্ট জ্যোতিষ, হস্তরেখাবিদ, সংখ্যাতত্ত্ববিদ, স্বর্ণপদক প্রাপ্ত আচার্য্য পি. শাস্ত্রী যোগাযোগ – 9836738810 / 8697296783 স্বাস্থ্য, আয়, প্রেম, শুভ রং, শুভ দিক, শুভ সংখ্যা ও বিশেষ পরামর্শ ২৪ ঘন্টা খাসখবর ডেস্ক: জুন মাসের তৃতীয় সপ্তাহে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান বিভিন্ন রাশির জাতক-জাতিকাদের জীবনে নানা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। স্বাস্থ্য, আয়, প্রেম, সৌভাগ্যের রং, শুভ দিক ও শুভ সংখ্যার পাশাপাশি রইল বিশেষ পরামর্শ। মেষ (Aries) বৃষ (Taurus) মিথুন (Gemini) কর্কট (Cancer) সিংহ (Leo) কন্যা (Virgo) তুলা (Libra) বৃশ্চিক (Scorpio) ধনু (Sagittarius) মকর (Capricorn) কুম্ভ (Aquarius) মীন (Pisces) দ্রষ্টব্য: এটি ঐতিহ্যগত জ্যোতিষশাস্ত্রভিত্তিক সাধারণ রাশিফল; বাস্তব জীবনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যক্তিগত বিচার-বিবেচনাকে অগ্রাধিকার দিন। প্রতিবেদন: জ্যোতিষ বিভাগ, 24ghantakhaskhabar.in

Read More

তৃণমূলে প্রকাশ্য বিদ্রোহ, বহিষ্কৃত ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে চাইলেন ৫৮ বিধায়ক

২৪ ঘন্টা খাসখবর – পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর নতুন সংকটে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থানের বিরুদ্ধে গিয়ে দলের ৫৮ জন বিধায়ক বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। বুধবার দুপুরে ওই বিধায়কেরা বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুর কাছে একটি চিঠি জমা দেন। সেখানে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। যদিও চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের সভানেত্রী হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৮০ সদস্যের তৃণমূল বিধায়ক দলের মধ্যে ৫৮ জনের সমর্থনে আখরুজ্জামানকে বিরোধী দলের নতুন মুখ্য সচেতক (চিফ হুইপ) হিসেবে মনোনীত করা হয়। সকালে প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন বিদ্রোহী বিধায়কেরা। স্পিকার অনুমোদন দিলে একসময় সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এদিকে বিধানসভার এই নাটকীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দলটির পক্ষ থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে পোস্ট করে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ফলে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ, মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস, সংখ্যালঘু সেলসহ দলের সব শাখা সংগঠনের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। গত এপ্রিলের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়ে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেস। ২৯৪ সদস্যের বিধানসভায় দলটি মাত্র ৮০টি আসন লাভ করে। দলীয় প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও দুই কেন্দ্র থেকেই পরাজিত হওয়ায় বিধানসভায় প্রবেশের সুযোগ হারান। নির্বাচনের পর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাব দেন। তবে ওই চিঠিতে যেসব বিধায়কের স্বাক্ষর দেখানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে অনেকেই অভিযোগ করেন যে তাঁদের স্বাক্ষর জাল করে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা বিষয়টি নিয়ে সরব হন। এরপর দলীয় নেতৃত্বের অসন্তোষের মুখে তাঁদের দুজনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টি প্রথমে বিধানসভা কর্তৃপক্ষের নজরে আনেন ঋতব্রত ও সন্দীপন। পরে এই ঘটনায় হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করা হয় এবং তদন্তভার নেয় সিআইডি। তদন্তের অংশ হিসেবে সংস্থাটি ইতিমধ্যে ১৩ জন বিধায়কের বক্তব্যও গ্রহণ করেছে। এই ঘটনার পর থেকেই তৃণমূলের অভ্যন্তরে বিভেদের ইঙ্গিত মিলছিল। সেই প্রেক্ষাপটে বুধবারের বৈঠকে ৫৮ জন বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেন। পাশাপাশি সাবেক মন্ত্রী ও মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামানকে মুখ্য সচেতক করা হয়। তাঁর সহকারী হিসেবে জাভেদ খান, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহার নামও চূড়ান্ত করা হয়েছে। বিদ্রোহী বিধায়কদের আবেদন পাওয়ার পর স্পিকার জানান, বিষয়টি পর্যালোচনা করে বিকেলে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। যদিও বিদ্রোহী গোষ্ঠী এখনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলীয় প্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে, তবু দলের ভেতরে যে গভীর মতপার্থক্য ও বিভাজন তৈরি হয়েছে, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি তা স্পষ্ট করে তুলেছে। ছবি: রয়টার্স ও ঋতব্রতের ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

Read More

আলোচনার পথে ফিরল ইরান, ট্রাম্পের দাবি—‘দ্রুতগতিতে’ চলছে আলোচনা

২৪ ঘন্টা খাসখবর : মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার আবহে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা স্থগিত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তেহরান সংলাপের পথেই ফিরে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা “দ্রুতগতিতে” এগোচ্ছে এবং আগামী দিনগুলিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। গত কয়েক মাস ধরে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্রদের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বৃদ্ধি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। এমন অবস্থায় ইরানের পক্ষ থেকে পরোক্ষ আলোচনায় বিরতি দেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে উভয় পক্ষই সংঘাতের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে আগ্রহী। মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা বন্ধের কোনো বার্তা পাননি। বরং তিনি মনে করেন, নেপথ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি উল্লেখ করেন যে আলোচনা চলমান এবং একটি চুক্তির সম্ভাবনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে অর্থনৈতিক কারণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা, মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং বৈদেশিক মুদ্রার সংকট দেশটির অর্থনীতির উপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেছে। ফলে তেহরান এমন একটি সীমিত সমঝোতা চাইতে পারে, যা অর্থনৈতিক স্বস্তি এনে দেবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পথ কিছুটা সহজ করবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী। বিশেষত হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। ফলে সেখানে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্য বেড়ে যায় এবং তার প্রভাব পড়ে বহু দেশের অর্থনীতিতে। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, উভয় পক্ষ একটি অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা বা ‘মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’-এর খসড়া নিয়ে আলোচনা করছে। এর আওতায় যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা, উত্তেজনা হ্রাস এবং ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত আলোচনার পথ তৈরি করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। যদিও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মূল মতপার্থক্য এখনো রয়ে গেছে, তবু অন্তত স্বল্পমেয়াদে সংঘাত এড়ানোর ব্যাপারে উভয় পক্ষের আগ্রহ স্পষ্ট। বিশ্ববাজারও এই কূটনৈতিক অগ্রগতির দিকে নিবিড় নজর রাখছে। আলোচনার ইতিবাচক খবর প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, যদি স্থায়ী সমঝোতা হয়, তবে জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা কমবে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে সবকিছু এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর বিভিন্ন রাজনৈতিক চাপ রয়েছে। রিপাবলিকান দলের একাংশ ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপসের বিরোধিতা করছে। একইভাবে ইরানের রক্ষণশীল মহলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে সন্দেহ ও আপত্তি রয়েছে। ফলে আলোচনা সফল করতে উভয় পক্ষকেই রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। যদি আলোচনা সফল হয়, তাহলে শুধু ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কেই পরিবর্তন আসবে না, বরং গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা কমতে পারে। পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিও একটি বড় অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পেতে পারে। সব মিলিয়ে, ইরানের আলোচনায় প্রত্যাবর্তন এবং ট্রাম্পের “দ্রুতগতিতে” আলোচনা এগোনোর মন্তব্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে। যদিও সামনে এখনও বহু জটিলতা ও মতপার্থক্য রয়েছে, তবু কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্ভব হতে পারে। আগামী কয়েক সপ্তাহের ঘটনাপ্রবাহই নির্ধারণ করবে এই আলোচনা বাস্তব কোনো চুক্তিতে রূপ নেয় কি না এবং তা অঞ্চলের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎকে কতটা প্রভাবিত করে। প্রতিবেদনটি   সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তুত।

Read More

জ্যান্ত দূর্গা মা আমার

জয়রামবাটির তুমি শিশু কন্যা,কামারপুকুরের বধূ বালিকা।রামচন্দ্র ও শ্যামাসুন্দরীর মেয়ে তুমি,রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব তোমার স্বামী। ছোট্ট বেলা থেকেই স্থির, ধীর শান্ত,কোনো কিছুতেই তুমি হওনি ক্লান্ত।সৎ অসৎ সব তোমারই স্নেহের সন্তান,অপার ভালোবাসা ছিল তোমার দান।শত শত সন্তানের তুমি জননী,মাগো তোমার কাছে আমরা ঋণী।এসেছ মানুষ বেশে এ ধরাতে,শিখিয়েছো নিজ ধর্ম পালন করতে।মা বলে ডাকলে আজও তুমি দাও সাড়া,তোমায় ছাড়া তোমার সন্তান দিশেহারা।”কথার কথা নই, পাতানো মা নই” এ যে তোমার বাণী,সন্তান তোমার আমরা শুনি বিপদে তোমার পদধ্বনি।তুমি মা সারদা, জগৎ জননী,তুমি যে জ্যান্ত দূর্গা, পদে পদে মানি।তুমি মা সারদা কল্যাণকারিণী,তোমায় আমরা অহর্নিশ নমি।

Read More