Gopal Roy

তৃণমূলে প্রকাশ্য বিদ্রোহ, বহিষ্কৃত ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে চাইলেন ৫৮ বিধায়ক

২৪ ঘন্টা খাসখবর – পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর নতুন সংকটে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থানের বিরুদ্ধে গিয়ে দলের ৫৮ জন বিধায়ক বহিষ্কৃত নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। বুধবার দুপুরে ওই বিধায়কেরা বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুর কাছে একটি চিঠি জমা দেন। সেখানে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। যদিও চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের সভানেত্রী হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৮০ সদস্যের তৃণমূল বিধায়ক দলের মধ্যে ৫৮ জনের সমর্থনে আখরুজ্জামানকে বিরোধী দলের নতুন মুখ্য সচেতক (চিফ হুইপ) হিসেবে মনোনীত করা হয়। সকালে প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন বিদ্রোহী বিধায়কেরা। স্পিকার অনুমোদন দিলে একসময় সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এদিকে বিধানসভার এই নাটকীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দলটির পক্ষ থেকে এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে পোস্ট করে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ফলে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ, মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস, সংখ্যালঘু সেলসহ দলের সব শাখা সংগঠনের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। গত এপ্রিলের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়ে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেস। ২৯৪ সদস্যের বিধানসভায় দলটি মাত্র ৮০টি আসন লাভ করে। দলীয় প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও দুই কেন্দ্র থেকেই পরাজিত হওয়ায় বিধানসভায় প্রবেশের সুযোগ হারান। নির্বাচনের পর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাব দেন। তবে ওই চিঠিতে যেসব বিধায়কের স্বাক্ষর দেখানো হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে অনেকেই অভিযোগ করেন যে তাঁদের স্বাক্ষর জাল করে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা বিষয়টি নিয়ে সরব হন। এরপর দলীয় নেতৃত্বের অসন্তোষের মুখে তাঁদের দুজনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টি প্রথমে বিধানসভা কর্তৃপক্ষের নজরে আনেন ঋতব্রত ও সন্দীপন। পরে এই ঘটনায় হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করা হয় এবং তদন্তভার নেয় সিআইডি। তদন্তের অংশ হিসেবে সংস্থাটি ইতিমধ্যে ১৩ জন বিধায়কের বক্তব্যও গ্রহণ করেছে। এই ঘটনার পর থেকেই তৃণমূলের অভ্যন্তরে বিভেদের ইঙ্গিত মিলছিল। সেই প্রেক্ষাপটে বুধবারের বৈঠকে ৫৮ জন বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেন। পাশাপাশি সাবেক মন্ত্রী ও মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামানকে মুখ্য সচেতক করা হয়। তাঁর সহকারী হিসেবে জাভেদ খান, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহার নামও চূড়ান্ত করা হয়েছে। বিদ্রোহী বিধায়কদের আবেদন পাওয়ার পর স্পিকার জানান, বিষয়টি পর্যালোচনা করে বিকেলে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। যদিও বিদ্রোহী গোষ্ঠী এখনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলীয় প্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে, তবু দলের ভেতরে যে গভীর মতপার্থক্য ও বিভাজন তৈরি হয়েছে, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি তা স্পষ্ট করে তুলেছে। ছবি: রয়টার্স ও ঋতব্রতের ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

Read More

আলোচনার পথে ফিরল ইরান, ট্রাম্পের দাবি—‘দ্রুতগতিতে’ চলছে আলোচনা

২৪ ঘন্টা খাসখবর : মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার আবহে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা স্থগিত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তেহরান সংলাপের পথেই ফিরে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা “দ্রুতগতিতে” এগোচ্ছে এবং আগামী দিনগুলিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। গত কয়েক মাস ধরে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্রদের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বৃদ্ধি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। এমন অবস্থায় ইরানের পক্ষ থেকে পরোক্ষ আলোচনায় বিরতি দেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে উভয় পক্ষই সংঘাতের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে আগ্রহী। মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা বন্ধের কোনো বার্তা পাননি। বরং তিনি মনে করেন, নেপথ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি উল্লেখ করেন যে আলোচনা চলমান এবং একটি চুক্তির সম্ভাবনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই অবস্থান পরিবর্তনের পেছনে অর্থনৈতিক কারণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা, মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং বৈদেশিক মুদ্রার সংকট দেশটির অর্থনীতির উপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেছে। ফলে তেহরান এমন একটি সীমিত সমঝোতা চাইতে পারে, যা অর্থনৈতিক স্বস্তি এনে দেবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পথ কিছুটা সহজ করবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী। বিশেষত হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। ফলে সেখানে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্য বেড়ে যায় এবং তার প্রভাব পড়ে বহু দেশের অর্থনীতিতে। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, উভয় পক্ষ একটি অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা বা ‘মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’-এর খসড়া নিয়ে আলোচনা করছে। এর আওতায় যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা, উত্তেজনা হ্রাস এবং ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত আলোচনার পথ তৈরি করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। যদিও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মূল মতপার্থক্য এখনো রয়ে গেছে, তবু অন্তত স্বল্পমেয়াদে সংঘাত এড়ানোর ব্যাপারে উভয় পক্ষের আগ্রহ স্পষ্ট। বিশ্ববাজারও এই কূটনৈতিক অগ্রগতির দিকে নিবিড় নজর রাখছে। আলোচনার ইতিবাচক খবর প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, যদি স্থায়ী সমঝোতা হয়, তবে জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা কমবে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে সবকিছু এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর বিভিন্ন রাজনৈতিক চাপ রয়েছে। রিপাবলিকান দলের একাংশ ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপসের বিরোধিতা করছে। একইভাবে ইরানের রক্ষণশীল মহলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে সন্দেহ ও আপত্তি রয়েছে। ফলে আলোচনা সফল করতে উভয় পক্ষকেই রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। যদি আলোচনা সফল হয়, তাহলে শুধু ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কেই পরিবর্তন আসবে না, বরং গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা কমতে পারে। পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিও একটি বড় অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পেতে পারে। সব মিলিয়ে, ইরানের আলোচনায় প্রত্যাবর্তন এবং ট্রাম্পের “দ্রুতগতিতে” আলোচনা এগোনোর মন্তব্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে। যদিও সামনে এখনও বহু জটিলতা ও মতপার্থক্য রয়েছে, তবু কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্ভব হতে পারে। আগামী কয়েক সপ্তাহের ঘটনাপ্রবাহই নির্ধারণ করবে এই আলোচনা বাস্তব কোনো চুক্তিতে রূপ নেয় কি না এবং তা অঞ্চলের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎকে কতটা প্রভাবিত করে। প্রতিবেদনটি   সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রস্তুত।

Read More

এক অনন্য আমি’র গল্প

আমি দেখতে আয়তকার,আছে আমার নানান প্রকার।ছোট বড়ো অথবা মাঝারি,আমি কিন্তু অত্যন্ত দামী।জন্মাতেই আমার গায়ে এক অদ্ভুত মিষ্টি গন্ধ,আমাতে অবগান করেই আমার প্রেমীরা পায় আনন্দ।আমি হতে পারি দুটি ক্ষুদ্র অক্ষর,আমার সাথে দিও না কেউ টক্কর।আমি নামে সসীম,তবে আমি ক্ষমতায় অসীম।আমি জীবনের দর্পণ,করো আমাতে তোমাকে অর্পণ।আমি সচেতন মানুষের চোখ,আমার থেকে থেকো না বিমুখ।আমি লেখক লেখিকাদের মুখ,হারিয়ে হেরেই যাবে একদিন ই -বুক।আমি সভ্যতার অহংকার,আমি বন্ধু আট থেকে আশি সবার।

Read More

‘‘আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ – নীল সমুদ্র, সবুজ অরণ্য ও স্বপ্নের ভ্রমণ’’

ভারতের অন্যতম সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র হল Andaman and Nicobar Islands। বঙ্গোপসাগরের গভীরে অবস্থিত এই দ্বীপপুঞ্জ প্রকৃতিপ্রেমী, সমুদ্রপ্রেমী এবং অভিযাত্রী পর্যটকদের কাছে এক স্বর্গরাজ্য। প্রায় ৫৭২টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত এই অঞ্চল ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, যার মধ্যে মাত্র কয়েকটি দ্বীপে মানুষের বসবাস রয়েছে। সাদা বালির সমুদ্রতট, নীল জলরাশি, প্রবাল প্রাচীর, ঘন অরণ্য এবং ঐতিহাসিক নিদর্শন আন্দামানকে পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয় করে তুলেছে। আন্দামানের প্রধান দর্শনীয় স্থান ১. পোর্ট ব্লেয়ার Port Blair আন্দামানের রাজধানী এবং পর্যটনের মূল কেন্দ্র। এখানে পৌঁছেই পর্যটকরা আন্দামানের প্রকৃত সৌন্দর্যের সঙ্গে পরিচিত হন। এখানকার প্রধান আকর্ষণ— সেলুলার জেল (কালাপানি) – ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস বহনকারী এক ঐতিহাসিক স্থান। করবিনস কোভ বিচ – সমুদ্রসৈকত ও জলক্রীড়ার জন্য জনপ্রিয়। রস আইল্যান্ড – ব্রিটিশ আমলের ধ্বংসাবশেষ। চিড়িয়া টাপু – সূর্যাস্ত দেখার অন্যতম সেরা স্থান। ২. হ্যাভলক দ্বীপ (বর্তমান স্বরাজ দ্বীপ) Havelock Island আন্দামানের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলির একটি। এখানকার বিখ্যাত সমুদ্রসৈকত— রাধানগর বিচ এলিফ্যান্ট বিচ কালাপাথর বিচ রাধানগর বিচ বিশ্বের অন্যতম সুন্দর সমুদ্রসৈকত হিসেবে পরিচিত। এখানে স্কুবা ডাইভিং, স্নরকেলিং এবং সি-ওয়াক বিশেষ জনপ্রিয়। ৩. নীল দ্বীপ (শহীদ দ্বীপ) Neil Island শান্ত পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। এখানকার আকর্ষণ— ভারতপুর বিচ লক্ষ্মণপুর বিচ ন্যাচারাল ব্রিজ ৪. বারাটাং দ্বীপ এখানে রয়েছে— লাইমস্টোন কেভ মাড ভলকানো প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। কলকাতা থেকে আন্দামান যাওয়ার উপায় বিমানে কলকাতা থেকে আন্দামান যাওয়ার সবচেয়ে সহজ এবং জনপ্রিয় উপায় হল বিমানপথ। রুটঃ কলকাতা → পোর্ট ব্লেয়ার (ভীর সাভারকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর) Veer Savarkar International Airport আন্দামানের একমাত্র প্রধান বিমানবন্দর। উড়ানের সময় – প্রায় ২ ঘণ্টা সরাসরি বিমান পরিষেবা পাওয়া যায় ভাড়া সাধারণত ₹৪,০০০ – ₹১২,০০০ (সময় ও মৌসুম অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে)। জাহাজে যারা সমুদ্রযাত্রার অভিজ্ঞতা নিতে চান, তাঁরা কলকাতা বন্দর থেকে জাহাজে যেতে পারেন। রুটঃ কলকাতা বন্দর → পোর্ট ব্লেয়ার সময় লাগে প্রায় ৬০–৭০ ঘণ্টা। আনুমানিক ভাড়া— বাঙ্ক ক্লাস – ₹২,৬০০ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি – ₹৬,৭০০ থেকে প্রথম শ্রেণি – ₹৮,৫০০ থেকে ডিলাক্স কেবিন – ₹১০,০০০+ আন্দামান ভ্রমণের আদর্শ সময় অক্টোবর থেকে এপ্রিল আন্দামান ভ্রমণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এই সময় আবহাওয়া মনোরম থাকে এবং সমুদ্র ভ্রমণ ও জলক্রীড়া উপভোগ করা যায়। বর্ষাকালে সমুদ্র উত্তাল থাকায় অনেক সময় ভ্রমণে সমস্যা হতে পারে। আন্দামানের জনপ্রিয় হোটেল ও রুম ভাড়া নিচে কিছু জনপ্রিয় হোটেলের নাম এবং আনুমানিক রুম ভাড়া দেওয়া হল— SeaShell, Port Blair 4.3•Hotel Directions•03192 242 773 আনুমানিক রুম ভাড়া – ₹৭,৫০০ – ₹১০,০০০+ সমুদ্র দর্শন ও উন্নত পরিষেবা। Welcomhotel By ITC Hotels, Port Blair 4.6•Resort hotel Website•Directions•03192 234 101 আনুমানিক রুম ভাড়া – ₹১২,০০০ – ₹১৬,০০০+ বিলাসবহুল থাকার ব্যবস্থা। Sinclairs Bayview Port Blair 4.1•Hotel Website•Directions•03192 227 824 আনুমানিক ভাড়া – ₹৫,০০০ – ₹৮,০০০ সমুদ্রের সুন্দর দৃশ্য। Sea Hills Hotels, Port Blair 4.4•Hotel Website•Directions•099332 80806 আনুমানিক ভাড়া – ₹৩,৫০০ – ₹৫,৫০০ মধ্যবিত্ত পর্যটকদের জন্য উপযুক্ত। Peerless Resort Sri Vijaya Puram 4.1•Resort hotel Website•Directions•098310 91754 আনুমানিক ভাড়া – ₹৪,০০০ – ₹৭,০০০ পরিবার নিয়ে থাকার জন্য ভালো। Hotel Sand Heaven 4.7•Hotel Website•Directions•080011 92930 আনুমানিক ভাড়া – ₹৩,০০০ – ₹৫,০০০ বিমানবন্দরের কাছে সুবিধাজনক অবস্থান। আন্দামানে কী কী করবেন স্কুবা ডাইভিং স্নরকেলিং সি ওয়াক গ্লাস বটম বোট রাইড প্যারাসেইলিং জেট স্কি প্রবাল প্রাচীর দেখা সূর্যাস্ত উপভোগ স্থানীয় খাবার আন্দামানে সামুদ্রিক মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া, লবস্টার অত্যন্ত জনপ্রিয়। এছাড়া দক্ষিণ ভারতীয় ও উত্তর ভারতীয় খাবারেরও প্রচুর ব্যবস্থা রয়েছে। ভ্রমণের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ১. আগে থেকে বিমান ও হোটেল বুকিং করুন। ২. জলক্রীড়ার সময় নিরাপত্তা বিধি মেনে চলুন। ৩. পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন। ৪. অতিরিক্ত প্লাস্টিক ব্যবহার এড়িয়ে পরিবেশ রক্ষা করুন। ৫. দ্বীপে যাতায়াতের জন্য ফেরির সময়সূচি আগে জেনে নিন। উপসংহার আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়, এটি প্রকৃতির এক অপূর্ব উপহার। নীল সমুদ্র, সাদা বালুকাবেলা, সবুজ বনভূমি, ঐতিহাসিক স্মৃতি এবং রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা মিলিয়ে আন্দামান ভ্রমণ জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হয়ে উঠতে পারে। কলকাতা থেকে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন বাজেটের হোটেল থাকার কারণে পরিবার, বন্ধু বা দম্পতিদের জন্য আন্দামান একটি আদর্শ ভ্রমণ গন্তব্য। তাই সুযোগ পেলে একবার অবশ্যই ঘুরে আসুন এই অপরূপ দ্বীপস্বর্গ থেকে।

Read More

উত্তরে নয়না, দক্ষিনে আদর

সোমা রায় নয়নার জীবন ছিল তার সোহাগ তথা আদরকে ঘিরে। চনমনে ও চঞ্চল স্বভাবের নয়না একটা সময় যখন স্থব্ধ হয়ে যায় তার জীবনের স্রোত থেমে যায় তখনই সোহাগ আর আদর তাকে আগলে আগলে রেখে এগিয়ে নিয়ে যায়। আর এইথেকেই প্রগাঢ় বন্ধুত্ব। আর নয়না বন্ধুত্ব বইতে বইতে স্বপ্নের আকাশ ছুঁয়ে ফেললো আর সোহাগ কে বললো তুমি আমার সোহাগ আমার আদর যার জন্যে আমি ছুঁতে পারলাম আমার স্বপ্নের আকাশ। এই বন্ধুত্ব প্রগাঢ় হতে হতে এমন হল যে আদরকে ছাড়া নয়নার এক মুহূর্ত ও চলে না। “সকালে ঘুম থেকে উঠে দিনে পথ চলার শক্তি আদর, আবার রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আমার আগামীর দিশা সোহাগ। “কখনো সোহাগ, কখনো আদর এই দুই নামেই নয়না তাকে ডাকে। আর আদরও সাড়া দেয়। আদর এর অমায়িক স্বভাব ছিল আদরের কোনো চাহিদা ছিলনা, ছিল না কোনো পাওয়া। যদিও নয়না আদরকে বুঝে চলতো আর আদরের প্রতি বড্ড বেশি আবেগপ্রবন ছিল সে। আরও একবার নয়নার জীবনে নেমে এসেছিলো প্রচন্ড ঝড় জল। সেখান থেকেও আস্তে আস্তে বের করে আনলো তাকে তার সোহাগ। এভাবেই দিন কাটছিলো নয়নার। পরিবারের এক অনন্য বন্ধু ও নিত্য সঙ্গী তখন সোহাগ ওরফে আদর। হাসিখুশি দিন কাটছিলো ওদের। এদিকে নয়নাও সুনামের সাথে নিজের জগতে বিচরণ করছিল। হঠাৎই কেমন জানি এক ঘন মেঘ আকাশ ছেয়ে গেলো। সোহাগ কে অচেনা, অপরিচিত মনে হচ্ছিল নয়নার। ভেবে পাচ্ছিলো না এ কি তার সেই সোহাগ! সোহাগের ব্যবহার ছিল অত্যন্ত, সহজ সরল অমায়িক সবার সাথে। আজকাল সোহাগ নয়নাকে পছন্দ করে না, অনীহা আর অবহেলায় ভরিয়ে দিয়েছে।খুব কষ্ট হলেও নয়না ভাবলো ভালোই যখন বেসেছি তখন ওর ভালোবাসাকে দেই না মান্যতা। মেনে নেই সব। চাওয়া একটাই সোহাগ ভালো থাকুক। কারণ নয়নার জীবনের একটা বিরাট অংশ নিয়ে জুড়ে আছে সোহাগ। নয়না আজকাল সোহাগ কে দূর থেকে ভালোবাসে। নয়না বুঝতে পারে তার মতো সাধারণের ভালোবাসা কোনোদিনও মান্যতা পায় না। সোহাগ ভালো থাকুক যেভাবে সে চায়। তবে এ কথা শুধু কথার কথা নয়, নয়নার প্রকৃত ভালোবাসার ফসল।সে জানে সোহাগ ই তার হাত ধরে বিমর্ষতা থেকে উত্তরণ করে এগিয়ে দিয়েছে জীবন পথে। আজ নয়না যে জায়গায় আছে তাতে সোহাগের অবদানও অনাস্বীকার্য। সোহাগ তার ভালোবাসা, তার সব। তাই নয়নার ভালোবাসা হোক তা একপেশে ও নিঃশব্দে তবে তা খাঁটি।তাই ধীরে ধীরে নয়না তার অভিধান থেকে কথা কমালো, কমালো শব্দ আর এরপরই হল নিঃশব্দ।এভাবেও ভালোবাসা যায়। স্মৃতির মিউজায়ম এ নয়না রেখেছে তার আদরকে।আদর তুমি ভালো থেকো, সুস্থ থেকো, থেকো সুখে।  আজ যে দুজনার দু পথ।

Read More

“জীবন তরী”

জয়দীপ রায়চৌধুরী ______________________________________________________________________________________________________ জীবন  নদীর তরীখানিবয়ে বয়ে শুধু যায়দিশাখানি নাহি পায়।শুধুই চলা,শুধুই চলাযেতে যেতে কত দুঃখের কথা বলা,মনে মনে অকথিত বেদনা রয়ে যায়।কত স্মৃতি ভিড় করাকত সুখ দুঃখেতে ভরাতবু তরী চলিতে থাকেঅজানা কার ডাকে।তীরের দেখা নাহি মেলেশুধায় কেহ এ জীবনে কিবা পেলেতবু তরী বয়ে চলেজীবন নদী মনের কথা বলে।।-জয়দীপ রায়চৌধুরী।

Read More

তরুণদেরবিষণ্নতা (ডিপ্রেশন): কারণ, প্রভাবএবংসুস্থহয়েওঠারপথ

বর্তমান যুগে তরুণ প্রজন্মের জীবনে শিক্ষা, কর্মজীবন, সম্পর্ক, সামাজিক চাপ এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বেড়ে চলেছে। আধুনিক জীবনের দ্রুত গতি, প্রতিযোগিতা এবং মানসিক চাপ অনেক তরুণকে ধীরে ধীরে বিষণ্নতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিষণ্নতা বা ডিপ্রেশন শুধুমাত্র সাময়িক মন খারাপ নয়; এটি এমন একটি মানসিক অবস্থা যা মানুষের চিন্তাভাবনা, অনুভূতি, কাজের আগ্রহ এবং দৈনন্দিন জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষ করে তরুণ ছেলেদের ক্ষেত্রে অনেক সময় সামাজিক ধারণা— যেমন “ছেলেরা কাঁদে না”, “দুর্বলতা দেখানো যাবে না”, “সব সমস্যার সমাধান নিজেকেই করতে হবে”— এই ধরনের মানসিক চাপ তাদের কষ্টকে আরও বাড়িয়ে তোলে। ফলে অনেকেই নিজের অনুভূতি প্রকাশ না করে নীরবে কষ্ট সহ্য করেন। তরুণদের মধ্যে বিষণ্নতার কারণ ১. পড়াশোনা এবং কর্মজীবনের চাপ ভালো ফলাফল, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, চাকরির অনিশ্চয়তা, আর্থিক চাপ— এগুলি তরুণদের মনে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। বারবার ব্যর্থতা আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিতে পারে। ২. সম্পর্কের সমস্যা বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, প্রেমের সম্পর্কের বিচ্ছেদ, পারিবারিক অশান্তি বা একাকীত্ব মানসিক স্বাস্থ্যে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। ৩. সামাজিক তুলনা সামাজিক মাধ্যমে অন্যদের সাফল্য, জীবনযাপন বা জনপ্রিয়তা দেখে অনেক তরুণ নিজের জীবনকে কম মূল্যবান ভাবতে শুরু করেন। ৪. আত্মসম্মানবোধ কমে যাওয়া নিজেকে ব্যর্থ, অযোগ্য বা অপ্রয়োজনীয় মনে করা বিষণ্নতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ৫. দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ অতিরিক্ত কাজের চাপ, পারিবারিক দায়িত্ব বা দীর্ঘদিনের উদ্বেগ একজন মানুষকে মানসিকভাবে ক্লান্ত করে দিতে পারে। ৬. ঘুমের সমস্যা ও অনিয়মিত জীবনযাপন অপর্যাপ্ত ঘুম, অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার, অনিয়মিত খাবার বা শারীরিক কার্যকলাপের অভাব মানসিক অবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে। বিষণ্নতার সাধারণ লক্ষণ নিচের লক্ষণগুলি দীর্ঘদিন ধরে থাকলে গুরুত্ব দেওয়া দরকার— সব মানুষের ক্ষেত্রে লক্ষণ একরকম নাও হতে পারে। বিষণ্নতার প্রভাব চিকিৎসা বা সহায়তা ছাড়া দীর্ঘদিন বিষণ্নতা চলতে থাকলে— তাই মানসিক কষ্টকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। বিষণ্নতা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার উপায় মানসিক কষ্ট থেকে বেরিয়ে আসার পথ একেকজনের ক্ষেত্রে একেকরকম হতে পারে। নিচে কিছু সাধারণ সহায়ক উপায় দেওয়া হলো— ১. নিজের অনুভূতি প্রকাশ করুন বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু, পরিবারের সদস্য বা কাউকে নিজের কথা বলতে চেষ্টা করুন। সবকিছু একা বহন করার প্রয়োজন নেই। ২. নিয়মিত ঘুম প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ৩. শরীরচর্চা করুন হাঁটা, দৌড়, যোগব্যায়াম বা ব্যায়াম শরীরের পাশাপাশি মনের উপরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ৪. সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখুন নিজেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে না রেখে পরিচিত মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করুন। ৫. ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন একসঙ্গে সব সমস্যার সমাধান করতে না গিয়ে ছোট ছোট লক্ষ্য স্থির করুন। ৬. সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনুন অতিরিক্ত সামাজিক মাধ্যম অনেক সময় মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। ৭. স্বাস্থ্যকর খাবার খান সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত জল এবং নিয়মিত খাবার শরীর ও মন উভয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ৮. নিজের প্রতি অতিরিক্ত কঠোর হবেন না জীবনে ব্যর্থতা বা কঠিন সময় আসতেই পারে। নিজেকে সবসময় অন্যদের সঙ্গে তুলনা না করে নিজের অগ্রগতিকে গুরুত্ব দেওয়া সহায়ক হতে পারে। ৯. পছন্দের কাজের জন্য সময় রাখুন বই পড়া, গান শোনা, ছবি আঁকা, ভ্রমণ, বাগান করা— যেটি ভালো লাগে তার জন্য সময় রাখুন। ১০. প্রয়োজনে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন যদি বিষণ্নতা দীর্ঘদিন থাকে, দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয় বা কষ্ট খুব তীব্র হয়, তাহলে একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার ও বন্ধুদের ভূমিকা অনেক সময় একজন মানুষের পাশে থাকা, মন দিয়ে কথা শোনা এবং বিচার না করে সমর্থন দেওয়া বড় ভূমিকা রাখতে পারে। পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন। কাউকে “এগুলো ভাবো না”, “শক্ত হও”, “সব ঠিক হয়ে যাবে”— শুধু এই ধরনের কথা বলার পরিবর্তে ধৈর্য নিয়ে শোনা এবং সাহায্য করতে আগ্রহী হওয়া উপকারী হতে পারে। আশার কথা বিষণ্নতা অনেক মানুষের জীবনেই আসতে পারে। সাহায্য নেওয়া দুর্বলতা নয়; বরং নিজের সুস্থতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সময়, সমর্থন, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস এবং প্রয়োজনে চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক মানুষ ধীরে ধীরে ভালো বোধ করতে পারেন। উপসংহার তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য আজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সমাজ, পরিবার এবং ব্যক্তিগত সচেতনতা একত্রে কাজ করলে বিষণ্নতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা বাড়তে পারে এবং আরও মানুষ প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে পারেন। জীবনে কঠিন সময় আসতেই পারে, কিন্তু কঠিন সময় চিরস্থায়ী নয়। নিজের যত্ন নেওয়া, সাহায্য চাওয়া এবং ধীরে ধীরে এগিয়ে চলা— এগুলিই সুস্থ হয়ে ওঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যদি কোনো তরুণ দীর্ঘদিন ধরে গভীর মানসিক কষ্টে থাকেন বা নিজের ক্ষতি করার চিন্তা আসে, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব পরিবারের সদস্য, বিশ্বাসযোগ্য মানুষ বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Read More

সিকিমেরস্বর্গরাজ্যগ্যাংটকভ্রমণ: পাহাড়, মেঘ, প্রকৃতিওশান্তিরঅপূর্বমিলন

হিমালয়ের কোলে অবস্থিত সিকিম ভারতের অন্যতম সুন্দর পর্যটন রাজ্য। সেই সিকিমের রাজধানী গ্যাংটক এমন এক পাহাড়ি শহর যেখানে প্রকৃতি, সংস্কৃতি, ধর্মীয় ঐতিহ্য এবং আধুনিকতার এক অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫,৪১০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত গ্যাংটক সারা বছর পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। বরফঢাকা কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য, সবুজ পাহাড়, বৌদ্ধ মঠ, ঝরনা, হ্রদ এবং মনোরম আবহাওয়া গ্যাংটককে এক অনন্য পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। গ্যাংটকের নামের উৎপত্তি তিব্বতি শব্দ “গ্যাং-টক” থেকে, যার অর্থ পাহাড়ের চূড়া। পূর্ব হিমালয়ের সৌন্দর্যের মাঝে গড়ে ওঠা এই শহর শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যই নয়, তার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং বৌদ্ধ ঐতিহ্যের জন্যও বিখ্যাত। গ্যাংটকের প্রধান দর্শনীয় স্থান ১. এম জি মার্গ (MG Marg) গ্যাংটকের প্রাণকেন্দ্র হল এম জি মার্গ। এটি একটি পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর হাঁটার রাস্তা, যেখানে বিভিন্ন দোকান, রেস্তোরাঁ এবং ক্যাফে রয়েছে। সন্ধ্যাবেলায় আলোয় সজ্জিত এই এলাকা পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। ২. ছাঙ্গু লেক (Tsomgo Lake) গ্যাংটক থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ছাঙ্গু লেক একটি হিমবাহজাত হ্রদ। বরফে ঢাকা পাহাড়ের মাঝে অবস্থিত এই নীলাভ জলরাশি পর্যটকদের মুগ্ধ করে। শীতকালে হ্রদটি বরফে জমে যায়। ৩. নাথুলা পাস ভারত-চীন সীমান্তে অবস্থিত নাথুলা পাস গ্যাংটকের অন্যতম আকর্ষণ। একসময় এটি ঐতিহাসিক সিল্ক রুটের অংশ ছিল। এখানে দাঁড়িয়ে বরফঢাকা পাহাড় ও সীমান্তের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়। ৪. রুমটেক মনাস্ট্রি সিকিমের অন্যতম বৃহৎ বৌদ্ধ মঠ হল রুমটেক মনাস্ট্রি। শান্ত পরিবেশ, বৌদ্ধ স্থাপত্য এবং ধর্মীয় গুরুত্ব এই স্থানটিকে বিশেষ আকর্ষণীয় করেছে। ৫. হনুমান টক পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত হনুমান টক থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার অসাধারণ দৃশ্য দেখা যায়। পরিষ্কার আবহাওয়ায় এই স্থান থেকে সূর্যোদয় অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর। ৬. তাশি ভিউ পয়েন্ট কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতমালার মনোরম দৃশ্য দেখার জন্য তাশি ভিউ পয়েন্ট অত্যন্ত জনপ্রিয়। সকালের সময় এখানে পর্যটকদের ভিড় বেশি হয়। ৭. হিমালয়ান জুলজিক্যাল পার্ক এখানে লাল পান্ডা, তুষার চিতা, হিমালয়ান ভালুকসহ বহু বিরল প্রাণী দেখা যায়। প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী প্রেমীদের জন্য এটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় স্থান। গ্যাংটকের আবহাওয়া গ্যাংটকে সারা বছর মনোরম আবহাওয়া বিরাজ করে। মার্চ থেকে জুন এবং সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা সাধারণত ১৫° থেকে ২৫° সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে। শীতকালে তাপমাত্রা ৪° থেকে ১০° সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। হাওড়া থেকে গ্যাংটক যাওয়ার ট্রেন রুট কলকাতার হাওড়া স্টেশন থেকে সরাসরি গ্যাংটকে ট্রেন যায় না। গ্যাংটকের নিকটতম বড় রেলস্টেশন হল নিউ জলপাইগুড়ি (NJP)। সেখান থেকে সড়কপথে গ্যাংটক যেতে হয়। ট্রেন রুট: হাওড়া → নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) → গ্যাংটক হাওড়া থেকে চলাচলকারী জনপ্রিয় ট্রেন: ১. দার্জিলিং মেল২. পদাতিক এক্সপ্রেস৩. কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস৪. শতাব্দী বা অন্যান্য উত্তরবঙ্গগামী ট্রেন সময় লাগে প্রায় ১০–১২ ঘণ্টা। আনুমানিক ট্রেন ভাড়া: NJP স্টেশন থেকে গ্যাংটক প্রায় ১২০–১২৫ কিলোমিটার দূরে। শেয়ার গাড়ি, প্রাইভেট ট্যাক্সি বা বাস পাওয়া যায়। আনুমানিক গাড়ি ভাড়া: সড়কপথে সময় লাগে প্রায় ৪–৫ ঘণ্টা। গ্যাংটকের হোটেল ও আনুমানিক রুম ভাড়া নিচে কয়েকটি জনপ্রিয় হোটেলের তথ্য দেওয়া হল। (মৌসুম অনুযায়ী ভাড়া পরিবর্তিত হতে পারে।) • Muscatel Grand Silkroute – 300 Mts from MG Margআনুমানিক ভাড়া: ₹৩৫০০ – ₹৫০০০ প্রতি রাত • Muscatel Dzeemkhang – 400 Mts from MG Margআনুমানিক ভাড়া: ₹৩০০০ – ₹৪৫০০ প্রতি রাত • YANGTHANG HERITAGE HOTELআনুমানিক ভাড়া: ₹৩৫০০ – ₹৬০০০ প্রতি রাত • The Fern Denzong Hotel & Spa Gangtokআনুমানিক ভাড়া: ₹৬০০০ – ₹৮৫০০ প্রতি রাত • #1 Sungava Resort – Hotel In Gangtokআনুমানিক ভাড়া: ₹৩৫০০ – ₹৫৫০০ প্রতি রাত • Sterling Gangtok – Orange Villageআনুমানিক ভাড়া: ₹৫০০০ – ₹৭৫০০ প্রতি রাত • MAYFAIR Spa Resort & Casino, Gangtokআনুমানিক ভাড়া: ₹১২,০০০ – ₹১৮,০০০ প্রতি রাত • The Elgin Nor-Khill – Gangtok – Heritage Resort & Spa (Since 1934)আনুমানিক ভাড়া: ₹১০,০০০ – ₹১৫,০০০ প্রতি রাত গ্যাংটকের খাবার গ্যাংটক ভ্রমণে স্থানীয় খাবার অবশ্যই চেখে দেখা উচিত। জনপ্রিয় খাবারের মধ্যে রয়েছে— এম জি মার্গ এলাকায় বহু ভালো রেস্তোরাঁ পাওয়া যায়। ভ্রমণের আনুমানিক খরচ (প্রতি ব্যক্তি) ট্রেন ভাড়া: ₹৫০০ – ₹১৫০০NJP থেকে গাড়ি: ₹৫০০ – ₹৪০০০হোটেল (২ রাত): ₹৩০০০ – ₹১০,০০০খাবার: ₹১০০০ – ₹২০০০স্থানীয় দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ: ₹২০০০ – ₹৪০০০ মোট আনুমানিক খরচ: ₹৮,০০০ – ₹১৮,০০০ (ব্যক্তিভেদে পরিবর্তন হতে পারে)। উপসংহার গ্যাংটক শুধুমাত্র একটি পাহাড়ি শহর নয়, এটি প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক স্বপ্নের গন্তব্য। কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোরম দৃশ্য, বৌদ্ধ সংস্কৃতি, পাহাড়ি পথ, নির্মল পরিবেশ এবং আতিথেয়তা গ্যাংটককে ভারতের অন্যতম সেরা পর্যটনস্থানে পরিণত করেছে। কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি দূর করে শান্তি ও সৌন্দর্যের সন্ধানে গ্যাংটক হতে পারে আপনার পরবর্তী ভ্রমণ গন্তব্য। পাহাড়, মেঘ আর প্রকৃতির মাঝে কয়েকদিন কাটিয়ে ফিরবেন এক নতুন সতেজ অনুভূতি নিয়ে এম জি মার্গ এলাকায় বহু ভালো রেস্তোরাঁ পাওয়া যায়। ভ্রমণের আনুমানিক খরচ (প্রতি ব্যক্তি) ট্রেন ভাড়া: ₹৫০০ – ₹১৫০০NJP থেকে গাড়ি: ₹৫০০ – ₹৪০০০হোটেল (২ রাত): ₹৩০০০ – ₹১০,০০০খাবার: ₹১০০০ – ₹২০০০স্থানীয় দর্শনীয় স্থান ভ্রমণ: ₹২০০০ – ₹৪০০০ মোট আনুমানিক খরচ: ₹৮,০০০ – ₹১৮,০০০ (ব্যক্তিভেদে পরিবর্তন হতে পারে)। উপসংহার গ্যাংটক শুধুমাত্র একটি পাহাড়ি শহর নয়, এটি প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক স্বপ্নের গন্তব্য। কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোরম দৃশ্য, বৌদ্ধ সংস্কৃতি, পাহাড়ি পথ, নির্মল পরিবেশ এবং আতিথেয়তা গ্যাংটককে ভারতের অন্যতম সেরা পর্যটনস্থানে পরিণত করেছে। কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি দূর করে শান্তি ও সৌন্দর্যের সন্ধানে গ্যাংটক হতে পারে আপনার পরবর্তী ভ্রমণ গন্তব্য। পাহাড়, মেঘ আর প্রকৃতির মাঝে কয়েকদিন কাটিয়ে ফিরবেন এক নতুন সতেজ অনুভূতি নিয়ে

Read More

ভারত যা চাইবে, তাই পাবে: ট্রাম্প

২৪ ঘন্টা খাসখবর প্রতি বেদন: যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে দিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফোনে যুক্ত হয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজেকে মোদির বড় ভক্ত উল্লেখ করে বলেন, ভারত যা চাইবে, তাই পাবে। রবিবার (২৪ মে) রাতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। এ সময় ফোনে বক্তব্য দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, সার্জিও, আপনাকে আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে হবে। তবে আমি সবার প্রতি শুভেচ্ছা জানাতে চাই। আমি ভারতকে ভালোবাসি। আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসি। মোদি অসাধারণ। তিনি আমার বন্ধু। ট্রাম্প বলেন, আমরা ভারতের এত কাছাকাছি আগে কখনও ছিলাম না। ভারত আমাদের ওপর শতভাগ ভরসা করতে পারে। তাদের কোনো সহায়তা প্রয়োজন হলে তারা জানে কোথায় ফোন করতে হবে। তারা এখানেই ফোন করবে। আমরা ভালো করছি। আমরা একের পর এক রেকর্ড গড়ছি। ট্রাম্প আরও বলেন, আমাদের অর্থনীতি রেকর্ড পরমিাণ শক্তিশালী, শেয়ারবাজারও রেকর্ড উচ্চতায়। আর ভারত যা চায়, তাই পায়। আমি প্রধানমন্ত্রী মোদির একজন বড় ভক্ত। এ সময় তিনি মার্কো রুবিওরও ভূয়সী প্রশংসা করেন। ট্রাম্প বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব শেষ করবেন। যখন আপনার কাছে মার্কো, সার্জিওর মতো মানুষ থাকে, তখন আপনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোই পাচ্ছেন।

Read More

তিন বিশ্বকাপে সফল ভবিষ্যদ্বাণী করা অর্থনীতিবিদের দৃষ্টিতে এবার চ্যাম্পিয়ন হবে যে দল

শান্তি রায় চৌধুরী  : ২০১৪ বিশ্বকাপ। কারা চ্যাম্পিয়ন হবে? জার্মান অর্থনীতিবিদ জোয়াকিম ক্লেমেন্ট ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন জার্মানিকে নিয়ে। ২০১৮ সালে? ফ্রান্স। ২০২২ সালে আর্জেন্টিনা। তিনটি ভবিষ্যদ্বাণীই যে সত্যি হয়েছে, সেটা আপনি জানেন। জোয়ামিক ২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়েও ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, এবার শিরোপা জিতবে কারা। জোয়ামিক ২০১৪ সালে একটি জটিল গাণিতিক মডেল তৈরির পর এটি ব্যবহার করে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। তার মতে, এবার বিশ্বকাপ জিতবে নেদারল্যান্ডস। যদিও ডাচরা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখনও শিরোপা জেতেনি। ১৯৭৪, ১৯৭৮ ও ২০১০ সালে তারা রানার্সআপ হয়েছিল। গত আসরে বিদায় নিয়েছিল কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে। ২০১৮ সালে তো খেলতেই পারেনি। এমন একটি দলকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ভবিষ্যদ্বাণী করলে অবাকই হতে হয়। অবাক হয়েছেন স্বয়ং ক্লেমেন্টও। নিজের পূর্বাভাস নিয়ে ‘এসবিএস ডাচ’কে ক্লেমেন্ট বলেছেন, ‘আমিও কিছুটা অবাক হয়েছি। কারণ, সিমুলেশন বলছে ২০২৬ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের ফাইনালে যাওয়ার পথ খুব কঠিন। অবাক হয়েছেন স্বয়ং ক্লেমেন্টও। নিজের পূর্বাভাস নিয়ে ‘এসবিএস ডাচ’কে ক্লেমেন্ট বলেছেন, ‘আমিও কিছুটা অবাক হয়েছি। কারণ, সিমুলেশন বলছে ২০২৬ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের ফাইনালে যাওয়ার পথ খুব কঠিন।’ এই বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নেবে ৪৮টি দল। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে ১০৪ ম্যাচের এই আসর। গ্রুপ পর্বে নেদারল্যান্ডস খেলবে জাপান, সুইডেন ও তিউনিসিয়ার বিপক্ষে। ক্লেমেন্টের মডেল অনুযায়ী, নকআউট পর্বে তারা মরক্কো ও কানাডাকে হারাবে। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হতে পারে ফ্রান্স। যদিও ফ্রান্সকে এখন বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দল বলেই মনে করেন ক্লেমেন্ট। সেমিফাইনালে নেদারল্যান্ডসের প্রতিপক্ষ হিসেবে তিনি দেখছেন স্পেনকে, ফাইনালে পর্তুগাল। ক্লেলমেন্টের ভাষায়, ‘নেদারল্যান্ডস যদি সেমিফাইনালে পৌঁছে যায়, তাহলে তাদের আত্মবিশ্বাস এমন পর্যায়ে থাকবে যে তারা যেকোনো দলকে হারাতে পারবে।’

Read More